জামালপুর এক্সপ্রেসে বহিরাগত বিক্রেতার দ্বিগুণ দামে পণ্য বিক্রি, যাত্রীদের ক্ষোভ

প্রকাশিত: ০৭ মার্চ ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
জামালপুর এক্সপ্রেসে বহিরাগত বিক্রেতার দ্বিগুণ দামে পণ্য বিক্রি, যাত্রীদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তনগর ট্রেন জামালপুর এক্সপ্রেসে বহিরাগত বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। অভিযোগ উঠেছে, ট্রেনের ভেতরে উঠে এসব বিক্রেতা বিভিন্ন খাবার ও পণ্য স্বাভাবিক দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং যাত্রীদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা ও হয়রানি।

যাত্রীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ট্রেনে বিক্রি হওয়া অনেক পণ্যের দাম বাজারমূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ—

৩০ টাকার বিস্কুট বিক্রি করা হচ্ছে ৬০ টাকায়,

৭০ টাকার কিটক্যাট চকলেট বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়,

২০ টাকার ফ্রুটিকা পানীয় বিক্রি করা হচ্ছে ৪০ টাকায়।

যাত্রীরা বলছেন, এসব বিক্রেতা ট্রেনে উঠে নির্দ্বিধায় অতিরিক্ত মূল্য নিচ্ছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সচেতন যাত্রীদের দাবি, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত বিষয়টি নজরে নিয়ে ট্রেনে অবৈধভাবে ওঠা বহিরাগত বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একই সঙ্গে ট্রেনে নিয়মিত তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান তারা, যাতে যাত্রীদের এমন হয়রানি থেকে রক্ষা করা যায়।

ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাহি ইবনে সরওয়ার বলেন,"আমি আজকে সকাল ১০ টার ট্রেন জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠি একপর্যায়ে আমার বোনের চকলেট খেতে চাইলো। এক বহিরাগত বিক্রেতা ট্রেনের ভেতরে জিনিসপত্র বিক্রি করতেছিল এবং আমি একটা বিস্কুট দাম জিজ্ঞেস করলাম।

সেটার দাম বলল ৬০ টাকা অথচ বিস্কুটের দাম স্বাভাবিক ৩০ টাকা যা লাভসহ দোকানদার বিক্রি করে।

এক পর্যায়ে কিটকেট চকলেটের দাম ৭০ টাকা হওয়ার কথা যা সে ১০০ টাকায় বিক্রি করতেছে।

এগুলো শুনে যখন জিজ্ঞেস করি আপনি সবকিছু ডাবল দাম নিচ্ছেন কেন?

 উনি বলল যে এগুলো এইরকমই দাম।

পরে এক পর্যায়ে বাকবিতণ্ডা হলে গাড়ি থেকে নেমে যায়"।

এ ধরনের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া বা অবৈধ বিক্রির ঘটনার তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরি বলে মনে করেন যাত্রীরা ।


বা/মে২৪/ম