এত্ত মাংস! আনন্দিত ও বিস্মিত হলেন বকফুল বেগম

প্রকাশিত: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
এত্ত মাংস! আনন্দিত ও বিস্মিত হলেন বকফুল বেগম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বকফুল বেগম একজন প্রতিবন্ধী নারী। তাঁর বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। বাড়ি আমতলী উপজেলার বৈঠাকাটা গ্রামে। ছেলেরা দূরে থাকায় তিনি একাই বসবাস করেন।খেয়ে-না-খেয়ে দিন কাটানো এই মানুষটির বেঁচে থাকাই যেন এক সংগ্রামের নাম।

ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ কর্মসূচির জন্য মাঠ পর্যায়ের জরিপে তাঁকে উপকারভোগী হিসেবে খসড়া তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর নিজস্ব মোবাইল ফোন না থাকায় চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে পাশের বাড়ির একজনের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তাঁকে চূড়ান্ত উপকারভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বকফুল বেগম বিশ্বাসই করতে পারেননি যে তিনি ২ কেজি কুরবানির মাংস পাবেন। বিতরণের সময় হাতে মাংস পেয়ে তিনি শুধু আনন্দিতই হননি, বিস্মিতও হয়েছেন। মাংস হাতে নিয়ে তিনি বললেন, এত্ত মাংস!

আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি জানান, জীবনে কখনও একসঙ্গে ২ কেজি কুরবানির মাংস পাননি। এই সহায়তা তাঁর ঈদের খুশীকে আরও আনন্দময় করে তুলেছে।

গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে বকফুল বেগমের মতো অসংখ্য অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের হাতে কুরবানির মাংস পৌঁছে দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইসলামিক রিলিফের প্রতিনিধি সাগর চন্দ্র হাওলাদার। তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।