জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত, কী আছে আইনে

প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত, কী আছে আইনে

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন স্থগিত বা বাতিলের বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এ এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে।

আরপিও ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর (১) উপধারায় বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে।

সম্প্রতি অসুস্থতাজনিত কারণে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মৃত্যুবরণ করেছেন। ফলে ওই আসনের নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না—এ নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

একনজরে: প্রার্থীর মৃত্যু ও নির্বাচনী আইন

আইন: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২, অনুচ্ছেদ ১৭(১)

শর্ত: প্রার্থীকে অবশ্যই ‘বৈধ’ বা চূড়ান্ত মনোনীত হতে হবে

ঘোষণা: রিটার্নিং কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন বাতিলের গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন

ব্যতিক্রম: প্রার্থী চূড়ান্তভাবে বৈধ না হলে বা বিকল্প প্রার্থী থাকলে নির্বাচন স্থগিত হবে না

আরপিও ১৭(১) অনুযায়ী কী হবে

আইন অনুযায়ী, কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিল বা স্থগিত ঘোষণা করবেন। এরপর ওই আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তপশিল ঘোষণা করা হবে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, যেসব প্রার্থী আগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন এবং যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র বা জামানত জমা দিতে হবে না। তবে নতুন প্রার্থীরা চাইলে নতুন তপশিল অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

বা/মে২৪/ফা