বন্দরে হ্যান্ডলিং কমছে, কাস্টমসে আমদানিও নিম্নগামী

প্রকাশিত: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
বন্দরে হ্যান্ডলিং কমছে, কাস্টমসে আমদানিও নিম্নগামী

সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি


দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্থরতার চিত্র ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের পরিসংখ্যানে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে অক্টোবরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে শুল্কায়িত আমদানি পণ্যের পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে কমেছে প্রায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ।


শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বাজারের চাহিদা কমেছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি শিল্প ও ব্যবসায় বাড়তি চাপ তৈরি করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ। উৎপাদন ও ভোগের এই সংকোচন দীর্ঘায়িত হলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) শুরু থেকেই বন্দরে মাসভিত্তিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬০১ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হলেও আগস্টে তা কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৪ টিইইউতে। সেপ্টেম্বরে আরও কমে হয় ২ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৩ টিইইউ।


শুধু মাসভিত্তিক হিসাবেই নয়, আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৮ লাখ ৬৩ হাজার ২৭৮ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কম।


একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের আমদানি পরিসংখ্যানেও। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা ৭৫ লাখ ৪৯ হাজার টন পণ্য শুল্কায়ন করা হয়েছে। এসব পণ্যের মূল্য ৪০ হাজার ৯১১ কোটি টাকা।


অন্যদিকে, গত বছরের একই মাসে শুল্কায়িত পণ্যের পরিমাণ ছিল ৯১ লাখ ৬৫ হাজার টন, যার মূল্য ছিল ৪৫ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শুল্কায়িত পণ্যের পরিমাণ কমেছে প্রায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মূল্য কমেছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ।


এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা বলতে গেলে মন্দার মধ্যেই রয়েছি। অর্থনীতি এক ধরনের স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে। একদিকে প্রবৃদ্ধির গতি ধীর, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি উচ্চ। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কম, প্রকৃত আয়ও চাপে রয়েছে। মজুরি সূচকের প্রবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম। সবকিছু মিলিয়ে অর্থনীতি সংকটপূর্ণ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নেতিবাচক দিকেও যাচ্ছে।’


চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও আমদানি কমে যাওয়ার পেছনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মন্থরতা একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি। ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘আমদানির মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও মধ্যবর্তী পণ্য। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি হলে তা নতুন বিনিয়োগ কিংবা বিদ্যমান শিল্পের সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ার অর্থ হলো নতুন বিনিয়োগ ও উৎপাদন সম্প্রসারণে গতি নেই।’


বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির নিম্নমুখী ধারাকেও বিনিয়োগ পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সিপিডির এই ফেলো। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে। অর্থাৎ বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মন্থরতার ইঙ্গিত বিভিন্ন সূচকেই পাওয়া যাচ্ছে। সব সূচক মিলিয়ে বলা যায়, অর্থনীতি মন্দার দিকেই এগোচ্ছে।’


চট্টগ্রাম বন্দরের বার্ষিক হিসাবের পাশাপাশি মাসভিত্তিক তুলনাতেও শুল্কায়িত পণ্যের আমদানিতে বড় পতন দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ৯০ লাখ ৮৩ হাজার টন পণ্য শুল্কায়ন হয়েছিল, যার মূল্য ছিল ৪৮ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা। অক্টোবরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৪৯ হাজার টনে। একই সময়ে শুল্কায়িত পণ্যের মূল্য নেমে আসে ৪০ হাজার ৯১১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে শুল্কায়িত পণ্যের পরিমাণ কমেছে প্রায় ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ এবং মূল্য কমেছে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ।


এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বন্দরে আমদানি-রফতানি পণ্য হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে গতি এসেছে। তবে দেশে আমদানি-রফতানি বাড়া বা কমার বিষয়টি মূলত ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।’


চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে চারটি সমুদ্রগামী কনটেইনার টার্মিনাল কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর মধ্যে পিসিটি ও এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কিছুটা বাড়লেও সিসিটি ও জেনারেল কার্গো বার্থে (জিসিবি) উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।


টার্মিনালভিত্তিক হিসাবে, সিসিটিতে গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ১ লাখ ১৩ হাজার টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৫০৪ টিইইউতে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে হ্যান্ডলিং কমেছে ২৪ হাজার ৪৯৬ টিইইউ বা প্রায় ২২ শতাংশ।


জিসিবিতে পতনের হার আরও বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এখানে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৯ টিইইউতে। সে হিসাবে হ্যান্ডলিং কমেছে ৮৮ হাজার ৯৬৫ টিইইউ বা প্রায় ২৮ শতাংশ।


নতুন বিনিয়োগে স্থবিরতা ও শিল্প সম্প্রসারণে অনিশ্চয়তা বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং কাস্টমসে শুল্কায়িত আমদানি পণ্য কমার পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্য, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে উদ্যোক্তারা নতুন কারখানা স্থাপন কিংবা বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন অবকাঠামো তৈরি করেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর শিল্পে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন চালানো ব্যয়বহুল। ফলে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। এর প্রভাব পড়ছে শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানির চাহিদায়ও।


মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সবাই একটা আতঙ্কের মধ্যে আছে। বিনিয়োগ হচ্ছে না। উদ্যোক্তারা এখন অপেক্ষা করে পরিস্থিতি দেখার অবস্থানে রয়েছেন। নতুন এক্সপানশনে যাবেন, নতুন ফ্যাক্টরি করবেন, নাকি ব্যবসায় কিছু পরিবর্তন আনবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না উদ্যোক্তারা।’


বেসরকারি খাতের মন্থরতার চিত্র ফুটে উঠছে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ১৭ শতাংশে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন।


এ খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে স্বল্প সুদের এ ঋণ নেওয়ার মতো যোগ্য উদ্যোক্তা পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রণোদনা প্যাকেজগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে গতকাল বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এবং ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে শুরু হওয়া বৈঠক চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।


বৈঠকে অংশ নেওয়া ওয়ান ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রণোদনা প্যাকেজগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কীভাবে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গভর্নর আন্তরিকতার সঙ্গে বিএবি ও এবিবির নেতাদের সঙ্গে সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলেছেন। প্রণোদনা প্যাকেজগুলোর বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে বেশ কিছু দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।’


বন্দর ও কাস্টমসের পরিসংখ্যানে আমদানি কার্যক্রমের নিম্নমুখী প্রবণতার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। তাদের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি পণ্য আমদানির ব্যয়ও বেড়েছে। অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে দেশের বাজারে ভোগ ও চাহিদা কমে যাওয়ায় আমদানির প্রয়োজনীয়তাও সংকুচিত হচ্ছে।


মেঘনা গ্রুপের (এমজিআই) চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও আয় সে হারে বাড়ছে না, ফলে ভোগ কমছে। আগে যে মানুষ এক কেজি পণ্য কিনত, এখন সে ৭০০-৮০০ গ্রাম কিনছে। অর্থাৎ অনেক ক্ষেত্রে ভোগ ২০-৩০ শতাংশ কমেছে। জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ঘাটতি হলো পর্যাপ্ত কৌশলগত মজুদের অভাব। চীন, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা সামাল দিতে এ ধরনের মজুদ ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে তা না থাকায় বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি আমদানি ব্যয়, উৎপাদন ও ভোক্তার ওপর পড়ে। চলমান অস্থিরতায় কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়াও এখন বড় উদ্বেগের বিষয়।’


দেশের ইস্পাত খাতের প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলীহুসাইন মনে করেন, সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির গতি কমে গেছে। বিশেষ করে গত দুই মাসে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বেশ মন্থর হয়েছে।


তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। সরকার অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নিলেও বাস্তবায়নে সময় লাগবে। ফলে আপাতত চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা কম। মানুষ এখন জরুরি পণ্য কেনাকাটায় সীমাবদ্ধ থাকছে। অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উচ্চ মূল্যে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এতে শিল্প-কারখানার ব্যবসা টেকসই রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সংকট আরও বাড়বে।’


আগাম পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ডলারের সংকট বা বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরির আশঙ্কা থাকলে এখন থেকেই শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য ও বিলাসবহুল পণ্য আমদানির জন্য পৃথক পরিকল্পনা বা রেশনিং ব্যবস্থা বিবেচনা করা যেতে পারে।’ এতে হঠাৎ আমদানিতে বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রয়োজন হবে না এবং অর্থনীতিতে বড় ধাক্কার ঝুঁকিও কমবে বলে মনে করেন তিনি।


প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মো. আমিরুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সিমেন্ট খাতের স্থানীয় কিংবা বহুজাতিক—কোনো কোম্পানিই এখন ভালো অবস্থায় নেই। সবাই টিকে থাকার লড়াই করছে।’


এমকে/বিএম২৪