'উত্তরবঙ্গের সালমান সাকিবের জয়: চাকসুতে নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত
আহমেদ মুনহা, চবি প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন উত্তরবঙ্গের তরুণ ছাত্রনেতা সালমান সাকিব।
দীর্ঘ ৩৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে ২৬ টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪১৫ জন।
দক্ষিণবঙ্গের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে শিবির-সমর্থিত প্যানেল ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থীর জোট’ থেকে প্রার্থী হয়ে তিনি নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন।
দক্ষিণবঙ্গের প্রভাবশালী প্রার্থীদের ভিড়ে উত্তরবঙ্গ থেকে উঠে এসে সাফল্য পাওয়া ছিল সালমান সাকিবের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু দৃঢ় নেতৃত্বগুণ, সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত ভোটে জয়লাভ করেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় সালমান সাকিবের মূল প্রতিশ্রুতি ছিল—মূল প্রতিশ্রুতি ছিল
ক্যাম্পাসের সকল রাজনৈতিক দল মতের মানুষেরা একই সাথে সহবাস্তানের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিকে গণতান্ত্রিক ধারায় ক্যাম্পাসে সচল লাগবে।
পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সেশন জটের ব্যাপারে তার প্রথম স্নেহের ছিল সে সুন্দর পুরোপুরিভাবে বন্ধ করা।
নির্বাচনে জয়লাভ করার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশ মেইল ২৪. নিউজকে জানান,
"আমি অত্যন্ত খুশি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাকে ভালোবেসে আস্থা রেখেছে ভোটের মাধ্যমে। শুকরিয়া আদায় করছি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে।
যারা এই বিজয়ের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে এবং সমর্থন দিয়েছে তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।
আমি চাই ক্যাম্পাসে সুস্থ ধারার রাজনীতি বজায় থাকুক। কেউ কারো আদর্শ জোর করে চাপিয়ে দিতে যেন না পারে সেদিকে সর্বোচ্চ নজরদারি দিতে চাই।"
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ হোসেন বলেন," কুড়িগ্রাম জেলা থেকে আমার বড় ভাই নির্বাচিত হয়েছেন এতে আমরা খুব আনন্দিত। এছাড়া সালমান ভাইয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় হবে । আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হয়ে চাকসু নির্বাচিত প্রার্থীরা কাজ করবে।"
অনেকে মনে করছেন, উত্তরবঙ্গের এই তরুণ নেতার সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে উত্তরবঙ্গের মানুষের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে









