২২ আগস্ট থেকে কলেরার টিকা, লক্ষ্য ৫১ লাখ মানুষ

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
২২ আগস্ট থেকে কলেরার টিকা, লক্ষ্য ৫১ লাখ মানুষ

সূত্রঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক


দেশের কলেরা ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে বিনা মূল্যে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে শুরু হবে প্রথম দফার টিকাদান। দ্বিতীয় দফার টিকা দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। এক বছর বা তার বেশি বয়সী সবাই এ টিকা পাবেন। তবে গর্ভবতী নারীরা কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবেন।


বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অডিটোরিয়ামে ‘সর্বজনীন কলেরা প্রতিরোধ টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬’-এর উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম দফায় ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে এ কার্যক্রম চলবে।


ডিএসসিসির লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচরের ১৭টি ওয়ার্ডে ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এলাকা এবং মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্দিষ্ট এলাকাতেও টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।


অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একসময় কলেরায় গ্রাম পর্যন্ত উজাড় হয়ে যেত। বর্তমানে রোগটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের কারণে সতর্ক থাকা জরুরি। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মতো এ কর্মসূচিও সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।


ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, পুরান ঢাকাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে সিটি করপোরেশনের। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ১৭টি ওয়ার্ডে কলেরার টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।


অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, ইউনিসেফের উপপ্রতিনিধি পিটার জর্জ এল মাইস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহামেদ, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো. হাবিবুর রহমান খান, আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফিরদৌসী কাদরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



এমকে/বিএম২৪