মোংলা বন্দর বণিক সমিতির ভোটার তালিকা নিয়ে ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ
সূত্রঃ সংগৃহীত
প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
দীর্ঘ ১৯ বছর পর আগামী ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মোংলা বন্দর বণিক সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রস্তুতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়লেও প্রকাশিত প্রাথমিক ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাত ব্যবসায়ী। তালিকা পুনঃযাচাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে প্রাথমিক ভোটার তালিকা পুনঃযাচাই করে যোগ্য ব্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানানো হয়।
আবেদনকারীরা অভিযোগে বলেন, এবারের প্রাথমিক ভোটার তালিকায় আগের তুলনায় ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কয়েকজন ব্যবসায়ীর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধভাবে বরাদ্দ পাওয়া জায়গা, ব্যবসায়িক স্থাপনা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যবসা পরিচালনার বৈধতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।
এ ছাড়া ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব বা কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে লিখিত আবেদনের সঙ্গে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়নি।
আবেদনকারীদের ভাষ্য, মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের ভোটার হওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণে বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ভোটার তালিকায় থাকা ব্যবসায়ীদের বরাদ্দপত্র, ব্যবসায়িক স্থাপনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা উচিত।
তাদের দাবি, প্রাথমিক ভোটার তালিকা যথাযথভাবে যাচাই না করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে পরবর্তী সময়ে ভোটাধিকার ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষভাবে তালিকা যাচাই করে প্রকৃত যোগ্য ব্যবসায়ীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোংলা বন্দর বণিক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ভোটার তালিকা নিয়ে লিখিত অভিযোগ ওঠায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
লিখিত আবেদনে সাতজন ব্যবসায়ী স্বাক্ষর করেছেন। আবেদনের অনুলিপি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, খুলনার বিভাগীয় শ্রম কর্মকর্তা, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক এবং মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দেওয়া হয়েছে।
এমকে/বিএম২৪









