বকশীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

সূত্রঃ সংগৃহীত

রতন ইন্তিসার, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি


জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোববার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিণ বাজার বড় মসজিদসংলগ্ন একটি মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


স্থানীয়রা জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মার্কেটের একটি তুলার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


এ সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে বকশীগঞ্জ বড় মসজিদ থেকে মাইকে আজান দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় শত শত মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেন। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।


তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই রিপন মদকের মুদি দোকান ও জমজম হোটেলসহ অন্তত ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে দোকানগুলোর মালামাল, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম পুড়ে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন।


অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হাসান। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।


এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল তালুকদার ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর। এ সময় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম শামীমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট, নাকি অন্য কোনো কারণে—তা খতিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।



এমকে/বিএম২৪