দুইশতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে জাবিতে জাতীয় মানবাধিকার অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত
জাবি প্রতিবেদক:
স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘২য় জাতীয় মানবাধিকার অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজন করেছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের দুইটি গ্যালারি রুমে সাভার অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থী একযোগে এই অলিম্পিয়াডের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রটি থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানায়।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির প্রকাশনা সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসমা আক্তার সাথী বলেন, "আমাদের সোসাইটি ২০১৪ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং এবার আমরা দ্বিতীয়বারের মতো মানবাধিকার অলিম্পিয়াড আয়োজন করেছি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট এই তিন বিভাগে আমাদের কার্যক্রম চলছে, যেখানে মোট ১৫০০ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করে ১২০০ জন পেইড অংশগ্রহণকারী হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে জাহাঙ্গীরনগরে প্রায় দুইম জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।"
"আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন করা, যাতে তারা নিজের অধিকার বুঝতে পারে এবং ভবিষ্যতে তা রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখতে পারে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমরা ছয় মাস মেয়াদি ভলান্টিয়ার প্রোগ্রাম চালু রাখছি। আগামীতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিউম্যানস ডিফেন্ডার’ নামে কমিটি গঠন ও নতুন ভলান্টিয়ার নিয়োগের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।”
এ বিষয়ে সোসাইটিটির নেতৃত্বে থাকা ইজাজুল ইসলাম বলেন, "মানবাধিকার সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তোলা সময়ের দাবি। এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু জ্ঞান অর্জনই নয়, বরং মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের অনুপ্রেরণা পাবে।"









