১২ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে যাত্রীর লাগেজ, না হলে জরিমানা

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
১২ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে যাত্রীর লাগেজ, না হলে জরিমানা

সূত্রঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রীদের লাগেজ সরবরাহের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজ থেকে নামার পর প্রথম লাগেজ ১২ মিনিটের মধ্যে এবং সর্বশেষ লাগেজ সর্বোচ্চ ৪০ মিনিটের মধ্যে যাত্রীর হাতে পৌঁছে দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে লাগেজ সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কনসোর্টিয়ামকে জরিমানা করা হবে।


মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।


মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করা সম্ভব হবে। পুরোপুরি চালু হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে বিমানবন্দরে যাত্রীদের যে ভোগান্তি রয়েছে, তা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


তিনি বলেন, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে করা চুক্তিতে যাত্রীসেবার বিভিন্ন বিষয় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজ থেকে যাত্রী নামা ও ওঠার সময়ের পাশাপাশি লাগেজ সরবরাহের সময়সীমাও চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।


মন্ত্রী জানান, প্রথম লাগেজ ১২ মিনিটের মধ্যে এবং সর্বশেষ লাগেজ ২৫ মিনিটের মধ্যে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে লাগেজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কনসোর্টিয়ামকে জরিমানা করা হবে।


এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে করা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের পর দেশের এভিয়েশন খাত, বিশেষ করে বিমানবন্দর নিয়ে মানুষের বিরূপ ধারণা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করেন তিনি।


এদিকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উদ্বোধনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।


তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগের পর বিভিন্ন এয়ারলাইনস যোগাযোগ করেছে। এরই মধ্যে এয়ার এশিয়া কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পেনাং থেকে কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট এবং সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা চলছে।


কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক রুট আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।


এমকে/বিএম২৪