নুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বললেন জবি শিবির সেক্রেটারি

প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪৯ পিএম
নুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বললেন জবি শিবির সেক্রেটারি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নাকি ৫০০ বা ১,০০০ টাকায় ভোট বিক্রি করেছে—ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের এমন মন্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ।

তিনি নুরের ওই বক্তব্যকে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অপমানজনক ও অসম্মানজনক’ আখ্যা দিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই আহ্বান জানান আরিফ।

জবি শিবির সেক্রেটারি তার পোস্টে লিখেন;

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এই প্রজন্ম নিজেদের ভোটাধিকার নিয়ে সচেতন।

এই প্রজন্ম টাকার বিনিময়ে কিংবা চটকদার বক্তব্যের কাছে বিক্রি হয়না। যারা স্বার্থের কাছে নিজের বিক্রি হয় তারাই এই প্রজন্মকে বিক্রি করার স্বপ্ন দেখতে পারে।

 যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এরকম ধারণা পোষণ করে তাদেরকে শিক্ষার্থীরা নিকট অতীতে প্রত্যাখান করেছে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন ধারণা পোষণকারীদেরকে শিক্ষার্থীরা ইনশাআল্লাহ আগামীতেও প্র‍ত্যাখান করবে। 

আমরা আমাদের সততা, নিষ্ঠা ও কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করব ইনশাআল্লাহ। ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি, একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের নিকট থেকে এমন বক্তব্য আমাদের ব্যাথিত করে। 

এ ধরনের বক্তব্য শিক্ষার্থীদের জন্য অপমানজনক। শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটকে অসম্মান করে।

নুরুল হক নুরের এমন বক্তব্য প্রত্যাহারের করে শিক্ষার্থীদের নিকট ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

পোস্টে তিনি আর লেখেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এই প্রজন্ম নিজের ভোটাধিকারের বিষয়ে সচেতন। তারা টাকার বিনিময়ে বা চটকদার কথায় প্রভাবিত হয় না। যারা স্বার্থের কাছে নিজেদের বিক্রি করে, তারাই শিক্ষার্থীদের বিক্রি করার স্বপ্ন দেখতে পারে। শিক্ষার্থীরা অতীতেও এমনদের প্রত্যাখ্যান করেছে, ভবিষ্যতেও করবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সততা, নিষ্ঠা ও কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনে বিশ্বাসী। ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি ও একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের কাছ থেকে এমন বক্তব্য শুনে আমরা ব্যথিত। এই মন্তব্য শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটকে অসম্মান করে। তাই নুরুল হক নুরের প্রতি আহ্বান জানাই—বক্তব্যটি প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।”