লালমনিরহাট–২ আসনে ত্রিমুখী নির্বাচনী লড়াই, প্রচারণায় শক্ত অবস্থানে শামীম কামাল
মোঃ ওমর ফারুক সুমন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাট-২ সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার মোট ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাতজন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ আসনে জনতার দলের কলম প্রতীকের প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল নির্বাচনী প্রচারণায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি দুই উপজেলায় ধারাবাহিক গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই তার প্রচারণা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নিমাই চন্দ্র রায়, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত। তারাও নিজ নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় ধরে এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আলহাজ্ব মজিবুর রহমান প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তার পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল বর্তমানে জনতার দলের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় আদিতমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং কালীগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে প্রার্থীদের সমর্থনে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা, নির্বাচনী অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটাররা বলছেন, তারা প্রার্থীদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিবেচনা করে ভোট প্রদানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জনতার দলের প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি সেনাবাহিনীর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে পুরস্কৃত হয়েছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
বা/মে২৪/ম









