চন্দনাইশে শিক্ষক শাহজাহান আজাদকে বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৭ এএম
চন্দনাইশে শিক্ষক শাহজাহান আজাদকে বিদায়ী সংবর্ধনা

সূত্রঃ সংগৃহীত

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি


চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আজাদের অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) গমন উপলক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চন্দনাইশ সাহিত্যিক আহমদ ছফা পরিষদের উদ্যোগে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। শাহজাহান আজাদ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক, লেখক ও ছড়াকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ও জোয়ারা বিশ্বম্ভর চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক প্রমোদ রঞ্জন বড়ুয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মতিন।


এ সময় সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, ব্যাংকার, সংগঠক ও সমাজসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শাহজাহান আজাদের শিক্ষকতা জীবন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অবদানের কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন অতিথিরা।


এ ছাড়া বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগেও পৃথক বিদায়ী সম্মাননা সভার আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শাহজাহান আজাদের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।


বক্তারা বলেন, শাহজাহান আজাদ একজন নিবেদিতপ্রাণ ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শিক্ষক। তিনি তাঁর পিতা ভাষাসৈনিক আবুল কালাম আজাদের আদর্শ অনুসরণ করে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৯৩ সালের ৮ মে জোয়ারা বিশ্বম্ভর চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন তিনি। ১৯৯৭ সালের ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালনের পর পরদিন গাছবাড়িয়া বিদ্যালয়ে যোগ দেন।


দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে জানান বক্তারা। তারা শাহজাহান আজাদের অবসরজীবন সুখী ও শান্তিপূর্ণ হওয়ার কামনা করেন।


সংবর্ধনার জবাবে শাহজাহান আজাদ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে গর্বিত উল্লেখ করে শিক্ষক, সহকর্মী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মহান আল্লাহর রহমত, মা-বাবার দোয়া ও সহধর্মিণীর সহযোগিতায় দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।


দায়িত্ব পালনকালে অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এই শিক্ষক।



এমকে/বিএম২৪