তরমুজ চাষে ব্যস্ত আমতলীর কৃষকরা

প্রকাশিত: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
তরমুজ চাষে ব্যস্ত আমতলীর কৃষকরা

আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

 আমতলী ওর কোন যে দিকে চোখ যায় একটু পর পরখড় কুটো ঘেরা টং ঘর।এধরনের টং ঘরেই উপজেলার কয়েকশত কৃষকের এখন অস্থায়ী আবাস।পরিবার পরিজন ছেড়ে রান্না-বান্নার হাড়ি-পাতিলে দ্বিতীয় সংসার পেতেছেন তারা। সেই কাক ডাকা ভোরেই এখান থেকেই শুরু হয় তাদের কর্মজজ্ঞ। সকাল-বিকাল-দুপুর-রাতেও তাদের চিন্তা রসালো ফল তরমুজ উৎপাদনে।

জানা গেছে,আমতলীর আবাদি জমি তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় শুষ্ক মৌসূমে কৃষকের তন্ময় দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে ফলটি উৎপাদনে। এ এলাকার চাষীরা তরমুজ চাষে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হওয়ায় তারা জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ করে থাকেন। যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।গত কয়েক বছর আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন এবং বাজার দর ভাল হওয়ায় এখানকার কৃষকেরা তরমুজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়ছেন। দেশের বিভিন্ন বাজারে বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকায় এ উপজেলায় উৎপাদিত মানবদেহের উপকারী ফলটি এখানকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

কৃষকদের সমন্বিত দক্ষতা ও আন্তরিকতায় তরমুজ চাষে এ উপজেলায় বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এ বছর ৩ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে কৃষি বিভাগ আশা করছে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে ৫ হাজার হেক্টরের উপরে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছেন ফলটি উৎপাদনে।  

হলদিয়ার এলাকার তরমুজ চাষী মো: আলম জানান, অনেক চাষীই বেশি জমিতে উন্নত জাতের বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদ দিয়ে তারা ভাল লাভবান হবেন।

তরমুজ খেতের শ্রমিক সবুজ খান বলেন, সব সময় তাদের তরমুজ খেতে ব্যস্ত থাকতে হয়।জমি প্রস্তুত থেকে তরমুজ বিক্রি সব ক্ষেত্রেই তাদের শ্রম দিতে হয়।বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা তাদের বেতন দেওয়া হয়। থাকা-খাওয়া সব কিছু মালিকের। তিনি আরো বলেন, একাজের সাথে এখন অনেক শ্রমিক জড়িত।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকতা কৃষিবিদ মো.রাসেল বলেন,আমতলী উপজেলা কোটিকোটি টাকার তরমুজ উৎপাদন হয়ে থাকে। এখানকার মাটি,আবহাওয়া ও নদ-নদীর মিঠা পানির উৎস তরমুজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী।এবছর তরমুজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার হেক্টর হলেও গতবছর তরমুজ চাষীরা বেশি দাম পাওয়ায় আশা করা যায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, আমতলীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ তরমুজ চাষীরা চরাঞ্চলের জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তরমুজ চাষ করে থাকেন যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আমতলীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায়

দোয়া করলেন ছারছীনা পীর।

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ।

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করলেন ছারছীনা পীর মাওলানা মুফতী শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন। বুধবার রাতে আমতলী উপজেলার ভায়লাবুনিয়া ছালেহিয়া দীনিয়া ও হাফেজী মাদ্রাসার উদ্যোগের ওয়াজ মাহফিলে আখেরী মোনাজাতে তিনি এ দোয়া করেছেন। আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছিল মাহফিল ময়দান। এ ওয়াজ মাহফিলে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নেন।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার ভায়লাবুনিয়া ছালেহিয়া দীনিয়া ও হাফেজী মাদরাসার উদ্যোগে বুধবার রাতে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। চার ঘন্টা ব্যাপী ওই মাহফিলে বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মুসুল্লী অংশ নেয়। ওই মাহফিলের আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেছেন ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ও বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন। ওই মোনাজাতে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেছেন। এ মাহফিলে আরো ওয়াজ নছিহত করেছেন জমইয়াতে হিজবুল্লাহ কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেমায়েত বিন তৈয়ব, তালিমুল তরিকত সম্পাদক মুফতি মামুনুল হক, সহ-প্রচার সম্পাদক মহিবুল্লাহ আল মাহমুদ ও বরগুনা জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা অহিদুল ইসলাম প্রমুখ। 


বা/মে২৪/ম