রাঙামাটিতে ২৪ আগস্ট পরবর্তী মসজিদ দখল, ২৬'র জুনে ভেঙে ফেলার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
রাঙামাটিতে ২৪ আগস্ট পরবর্তী মসজিদ দখল, ২৬'র জুনে ভেঙে ফেলার অভিযোগ

চাই সুই উ মারমা, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া গোদার পাড় এলাকায় ২০২৪ সালের ৮ আগস্টের পর একটি ঐতিহ্যবাহী পুরোনো মসজিদ দখল এবং ২০২৬ এর চলতি জুন মাসে তা ভেঙে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। শনিবার (২৭জুন) বিকেলে রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মুসল্লিদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আবদুল ছালাম।

লিখিত বক্তব্যে আবদুল ছালাম ও অন্যান্য মুসল্লিরা জানান, বেতবুনিয়া গোদার পাড় এলাকার 'বায়তুল আমান জামে মসজিদ'টি ১৯৮৭ সালে নির্মাণ করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্রামের প্রায় দুই থেকে তিনশ পরিবার সেখানে জুমার নামাজসহ নিয়মিত ইবাদত করে আসছিলেন। তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের আগস্টের পর (২৪ আগস্ট পরবর্তী সময়ে) মসজিদ সংলগ্ন 'জামিয়াতুল শায়েখ জমির উদ্দিন আল ইসলামীয়া মাদ্রাসা' কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে মসজিদটি দখল করে নেয় এবং চলতি বছরের ২৬ জুন তা পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলমানার হিল প্রতিষ্ঠানের (চট্টগ্রাম) সেক্রেটারি মো. ফরিদ মুঠোফোনে বলেন, ওই জায়গাটি তাদের মাদ্রাসার নিজস্ব সম্পত্তি। সেখানে তারা নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তিনি সাংবাদিকদের চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা বলেন।

অন্যদিকে, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তার জানা মতে, আলমানার হিল প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজস্ব জায়গায় একটি বড় মাদ্রাসা পরিচালনা করছে এবং সেখানে পুরোনো মসজিদের জায়গায় নতুন করে ৬ তলা বিশিষ্ট একটি বড় মসজিদ নির্মাণ করা হবে। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুরোনো মসজিদ ভাঙচুর করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা পুরোপুরি সত্য নয় বলে জানান ওসি।