নিখোঁজের চারদিন পর বৃদ্বের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্বার
মোঃ ফারুক হোসেন, প্রতিনিধি সেনবাগ(নোয়াখালী):
ফেসবুকে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের চার দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্বার>>
নোয়াখালীর সেনবাগে ফেসবুকে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের চার দিন পর আবুল কাশেম (৫৮) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় সেনবাগ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিন্নাগুনি গ্রামের ফজল মুন্সিবাড়ির পশ্চিম পাশে, সেনবাগ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাবলিক টয়লেটের চলাচলের রাস্তার পাশের একটি ময়লার ডোবায় মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা সেনবাগ থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আবুল কাশেম সেনবাগ উপজেলার ৪ নম্বর কাদরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিন ব্যাপারী বাড়ির মৃত নুর মিয়ার ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই আবুল কাসেম অসুস্থ অবস্থায় সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সকাল থেকে আবুল কাশেম নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা সেনবাগের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। গত ২৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাঁর নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপরও কোনো খোঁজ না মেলায় সোমবার সকালে সেনবাগ পৌরসভা ও বাজার এলাকায় মাইকিং করে নিখোঁজের ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু একই দিন সন্ধ্যায় তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ময়লার বাগাড় থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তারা সেখানে গিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।
সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকার জানান, আবুল কাশেম কয়েকদিন আগে নিখোঁজ হন। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।








